স্পোর্টস ডেস্ক: এ যেন আশ্চর্য এক গোলের রাত। প্রতিটি ম্যাচেই হয়েছে জোড়া গোল। এমনকি একটি ম্যাচে হয়েছে দুটি জোড়া গোল।
রাতের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে জোড়া গোল করেন লিওনেল মেসি। যদিও ম্যাচের শুরুতেই ছিলো হতাশা। একেবারে সহজ একটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক পেনাল্টি মিসের পর ভেঙে পড়েছিলেন খানিক সময়ের জন্য। তারপর ঘুরে দাঁড়ালেন এবং জোড়া গোল করে ইতিহাস গড়ে আর্জেন্টিনাকে নিলেন শেষ ৩২ এ। ২-০ গোলে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে নকআউটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
এরপরের ম্যাচে ফ্রান্সের হয়ে দুইবার বল জালে জড়ান কিলিয়ান এমবাপ্পে। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই ইরাকের জালে প্রথম গোল করেন এমবাপ্পে। পরে ইরাকের ভুলে ফ্রান্সের হয়ে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এই গোলে তিনি স্পর্শ করলেন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। দুজনের গোল এখন ১৬। মেসির ১৮ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করতে এমবাপ্পের প্রয়োজন ২ গোল। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ইরাক নিজেদেরই বিপদ ডেকে আনে। আহমেদ কাসেমের ব্যাকপাসটি এতটাই জোরে হয়ে যায় যে গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি।
জোড়া গোলের নাটকিয়তার রাতে নরওয়ে-সেনেগাল ম্যাচেও হয়েছে জোড়া গোল- তাও দুটি। নরওয়ের হয়ে সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন আর্লিং হলান্ড। সেনেগালও থেমে থাকেনি। হলান্ডের পর সেনেগালের হয়ে জোড়া গোল করেন ইসমাইলা সার। শেষ মুহূর্তে করা এই গোলের পর ব্যবধান দাড়ায় নরওয়ে ৩, সেনেগাল ২। ইসমাইলা জোড়া গোল করেও দলকে জেতাতে পারেননি। হলান্ডের জোড়া গোলই সেনেগালকে হারিয়ে নকআউটে নিয়ে যায় নরওয়েকে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব