রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় চলতি বছরে বাংলাদেশে এলএনজির নির্ধারিত সরবরাহ অর্ধেক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতার এনার্জি। পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও শিল্প খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, “এসব সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে যুদ্ধ। সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলায় আমরা বিকল্প উৎস খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে খোলা বাজার থেকে অতিরিক্ত এলএনজি ক্রয় এবং অন্যান্য সরবরাহকারী দেশের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সবচেয়ে সুবিধাজনক বিকল্পটিই আমরা বেছে নেব।”
যুক্তরাষ্ট্রের পর কাতার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী হিসেবে বিবেচিত। গত বছর বাংলাদেশ যে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করেছিল, তার মধ্যে ৪১ দশমিক ৫ লাখ মেট্রিক টনই এসেছে কাতার থেকে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার সঙ্গে কাতার এনার্জির দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। একটি চুক্তির আওতায় বছরে ২৫ লাখ মেট্রিক টন এবং অন্যটির আওতায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করা হয়।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য কাতার এনার্জির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম