বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। তিনি শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) হিসেবে কর্মরত।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাল সনদ ব্যবহার করে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগে বিদ্যালয়ের তৎকালীন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে মামলা করেন কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস।
মামলার তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশের যশোরের উপপরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার রহমান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিন শিক্ষকের সনদ জাল এবং সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন—চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন, সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।
আদালতের নির্ধারিত দিনে ইদ্রিস আলী হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি