মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর গ্রামে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারীসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাতজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পুলিশ একজনকে আটক করেছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—মোছা. রাফেজা (৩০), মো. কাসেম (৩৫), আহাদ (২৮), ফরিদ মোল্লা (৫০) ও মো. মিরাজ (৪৬)। গুরুতর আহত ফরিদ মোল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হরেকৃষ্ণপুর এলাকার কাসেম ও তার বড় ভাই বদিয়ার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাজার ও বাড়ির সামনের রাস্তায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অভিযোগ করে স্থানীয়রা একাধিকবার তাদের মাদক বিক্রিতে বাধা দেন।
শুক্রবার রাতে আবারও প্রকাশ্যে ইয়াবা বিক্রির সময় মো. ফরিদ ও তার সহযোগীরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কাসেম ও বনি আমিনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলায় নারীসহ পাঁচজন আহত হন।
আহত ফরিদ মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে এলাকার যুবসমাজকে রক্ষা করতেই তারা ইয়াবা বিক্রিতে বাধা দিয়েছিলেন। এ কারণেই কাসেম ও বদিয়ারসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।
ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মহম্মদপুর থানার ওসি এম শামিম আহম্মেদ জানান, ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে বনি আমিন খান নামে এক আসামিকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ