বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে খেলাধুলার সময় ৭ বছর বয়সী শিশুকে কুপিয়ে নৃশংস হত্যার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রামে শিশু হত্যাকান্ড ঘটে। নিহত আমেনা খাতুন (৭) ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা। অভিযুক্ত আবু হোসাইন (৩৫) একই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বিকেল ৩টার দিকে বাড়ির বাইরে খেলাধুলা করছিল শিশু আমেনা। এসময় তাকে দেখে হঠাৎই উত্তেজিত হয়ে ওঠে হোসাইন। ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে জখম ও লাঠি দিয়ে শিশুকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত যুবককে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হত্যাকান্ডের নেপথ্যের কারণ জানা যায়নি। অভিযুক্ত যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, আটক যুবককে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে। সে মানসিক ভারসাম্যহীন কিনা, যাচাই এবং তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত বলা যাবে। শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা রেকর্ড হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব