শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অবস্থিত জেলা বাফার সার গুদাম পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। পরিদর্শনকালে তিনি গুদামে সারের মজুত পরিস্থিতি, সংরক্ষণ এবং ডিলারদের মধ্যে বিতরণ কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন। এ সময় কৃষক পর্যায়ে যাতে সারের কোনো সংকট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে অবস্থিত জেলা বাফার সার গুদাম পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। সেখানে তিনি গুদামে বর্তমানে কী পরিমাণ সার মজুত রয়েছে এবং কীভাবে ডিলারদের মধ্যে তা বিতরণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
পরিদর্শনকালে ডিলারদের মধ্যে সার বিতরণের সময় প্রত্যেক ডিলারের প্রতিনিধি উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সার বিতরণ হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, জেলা বাফার সার গুদামে আগামী তিন মাসের প্রয়োজনীয় সার মজুত রয়েছে। বর্তমানে সারের কোনো ঘাটতি নেই। ডিলাররা তাদের বরাদ্দ অনুযায়ী গুদাম থেকে সার উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে যাতে সুষ্ঠুভাবে সার পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। সারের মজুত ও বিতরণ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কৃষকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।
জেলা বাফার সার গুদামের ইনচার্জ মো. আদিলুজ্জামান জানান, বর্তমানে গুদামে ১০ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে। এই মজুত দিয়ে আগামী তিন মাসের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, গুদামে নিয়মিতভাবে কারখানা থেকে সার এনে মজুত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বরাদ্দ অনুযায়ী ডিলারদের কাছেও সার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে গুদামে মজুত ও বিতরণ দুই কার্যক্রমই নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সার গুদাম পরিদর্শনের সময় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমীন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক বনানী দেবনাথ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম