ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতির নতুন চিত্র সামনে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বেশ কিছু ছবিতে দেখা গেছে, কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার প্রভাব ছিল দৃশ্যতই ব্যাপক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া ছবিগুলো প্রকাশ করেছে সিবিএস নিউজ (CBS News)। ছবিগুলোতে ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য দেখা যায়।
মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তথ্য ও ছবি শেয়ার করার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ কারণেই নিজেদের পরিচয় প্রকাশ না করে সিবিএস নিউজকে ছবিগুলো দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন মার্কিন সামরিক সদস্য।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন সেনা সদস্য দাবি করেন, মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও এর পুরো চিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের সামনে আসেনি।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ধারণ করা একটি ছবিতে চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট একটি বিমানে সরাসরি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
ছবিতে দেখা যায়, হামলার ফলে বিমানের পেছনের অংশটি মূল কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির এই দৃশ্য ইরানের হামলার প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
প্রকাশিত ছবিগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির বিভিন্ন দৃশ্য উঠে এসেছে। তবে এসব ছবি কোন সময় ধারণ করা হয়েছে, হামলায় মোট কতটি স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণমাত্রা কত—এসব বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সব তথ্য স্পষ্ট নয়।
ফলে ছবিগুলো মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দৃশ্যমান প্রভাবের একটি চিত্র তুলে ধরলেও, সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে আরও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রয়োজন।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ