ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে গত দুই দিনের ব্যবধানে পৃথক নানা ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক অপমৃত্যু হয়েছে। জেলা সদর, ভূল্লী ও রাণীশংকৈল থানা এলাকায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডুবা, বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন এবং হঠাৎ অসুস্থতার কারণে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজী মাটিগাড়া এলাকায় প্রতীক চন্দ্র রায় (২১) নামে এক মানসিকভাবে অসুস্থ যুবক নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। অন্যদিকে, একই উপজেলায় বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামার পর হঠাৎ অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করেন আব্দুল হামিদ (৪৬) নামে এক ক্যাবল কোম্পানির বিপণন কর্মী। পরে তাঁকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পৃথক স্থানে পানিতে ডুবে মারা গেছে দুই শিশু। ভূল্লী থানার শাসলাপিয়ালা এলাকায় ইউসুফ আলী (৫) নামে এক শিশু বাড়ি থেকে বের হয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ হারায়। এছাড়া রাণীশংকৈলের জওগাঁও এলাকায় বাড়ির পাশে খেলার সময় ভ্যানসহ ডোবায় পড়ে আয়েশা আক্তার (৬) নামে অপর এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়।
এদিকে রাণীশংকৈল উপজেলার কাদিহাট এলাকায় সামিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবক ইঁদুর মারার বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন। স্বজনেরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন এবং ঋণের চাপে ছিলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিনাজপুর নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
পৃথক এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ