স্টাফ রিপোর্টার: নবম পে স্কেল অনুযায়ী প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন এক সঙ্গে পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার (০৫ অক্টোবর) থেকে নতুন বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) শুরু করতে বলা হয়েছে।
আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এ কাজ শেষ করতে বলেছে অর্থ বিভাগ।
নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে ১ জুলাই থেকে।
ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর-এই তিন মাসের বেতন নতুন কাঠামোর হিসাবে সমন্বয় করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পে-ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার একসঙ্গে দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।
তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ এক হবে না। কারও বেতন কত বাড়বে, নতুন স্কেলে তার মূল বেতন কত নির্ধারিত হবে এবং কোন তারিখ থেকে তা প্রযোজ্য-এসবের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।
নতুন বেতন নির্ধারণ হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলে। এই পোর্টালে প্রবেশ করে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য দেবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, বেতন নির্ধারণ শেষ হওয়ার পর তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া একসঙ্গে দেবে সরকার।
পে ফিক্সেশন মডিউলে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতন ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে। কারও পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড হয়ে থাকলে সেসব তথ্যও দিতে হবে। এসব তথ্যের পক্ষে থাকা অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখতে হবে।
নতুন ও আগের বেতনের পার্থক্য এবং কার্যকর তারিখ বিবেচনায় নিয়ে বকেয়া হিসাব হবে। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন কাঠামোতে নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।
চাকরিজীবী অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। শুধু অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই কাজ শেষ হবে না। আগের চাকরির ইতিহাস ও বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্যের মিল থাকতে হবে। কারো অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নিতে পারবেন।
বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি হবে। একইসঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত করা হবে।
’রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ