কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে চারজনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি সদস্যদের বাধায় পুশইন করা দুইজন নারী ও দুজন পুরুষকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরের দিকে বিজিবির অধীনস্থ দৌলতপুরের ঠোটার পাড়া বিওপির সীমান্ত ১৫৩/৯ এস পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরের দিকে দৌলতপুর উপজেলার চল্লিশ পাড়া সীমান্ত দিয়ে চার জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। পরে ওই চার জন নৌকায় করে মুন্সিগঞ্জ সীমান্তে আসলে টের পায় স্থানীয় জনতা ও বিজিবি। পরে চার ভারতীয় নাগরিককে মাথাভাঙ্গা নদীর পার করে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকিয়ে দেয় বিজিবি ও স্থানীয় জনতা। এরপর তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ফসলি ক্ষেতের ভেতর অবস্থান করছিলেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবেড়িয়া থানার কৃষাণ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ওই চার জনকে নিয়ে যায়।
এদিকে গতকাল শনিবার সকালে নদীতে মাছ ধরতে গেলে সাহাজুলের সঙ্গে এক ভারতীয় নাগরিকের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিএসএফ সদস্যরা সাহাজুলকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড ছররা গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁর পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি ও স্প্লিন্টারের আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করেন।এ ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাংলাদেশিরা সীমান্তবর্তী মাঠে কাজ করার সময় এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবির হাতে তুলে দেন।এ নিয়েও সীমান্তে উত্তেজনা চলছে।
৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে। পুশইনসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম