নিজস্ব প্রতিবেদক :
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবারও কমেছে। এই সময়ে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯.১৭%, যা এর আগের মাস মার্চে ছিল ৯.৩৫%। এদিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮.৬৩%, যা মার্চে ছিল ৮.৯৩%।
সোমবার (৫ মে) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
৯.১৭% মূল্যস্ফীতির অর্থ হলো, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পাওয়া গেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিল কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ১৭ পয়সা।
এপ্রিলের মূল্যস্ফীতির এই হার গত ২৬ মাসের সর্বনিম্ন। মূল্যস্ফীতির হার এর চেয়ে কম ছিল সবশেষ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, ৮.৮৭%।
এ বছরের জানুয়ারিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার এক অঙ্কের ঘরে নেমে ৯.৯৪% হয়, ফেব্রুয়ারিতে এসে তা আরও কমে দাঁড়ায় ৯.৩২%। মার্চে তা আবার সামান্য বাড়ার পর এবার খানিকটা কমার তথ্য জানিয়েছে পরিসংখ্যান ব্যুরো।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, সার্বিক মূল্যস্ফীতি মাসের ব্যবধানে কমে যাওয়ার কারণ খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে নিম্নমুখী মূল্যস্ফীতি। শহর ও গ্রামে একই চিত্র দেখা গেছে।
মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৯৩% ছিল তা, এপ্রিলে আরও কমে ৮.৬৩%-এ দাঁড়িয়েছে। খাদ্য বহির্ভূত খাতে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৬১%, যা মার্চে ছিল ৯.৭০%।
শহর ও গ্রামের খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতিতে খাবারের দাম কমার তথ্য দিয়েছে পরিসংখ্যান ব্যুরো।
মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩৫%মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩৫%
এতে দেখা যায়, এপ্রিলে শহরের খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯.১৩%, যা মার্চে ৯.১৮% ছিল। অন্যদিকে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে হয়েছে ৮.৪০%, যা মার্চে ছিল ৮.৮১%।
আর গ্রামে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি মার্চের ৯.৯৭% থেকে কমে এপ্রিলে ৯.৮৬% হয়েছে। শহরে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি মার্চের ৯.৯৫% থেকে কমে এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.৮৮%।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১.৩৮%।
রিপোর্টার্স২৪/এস