মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকায় আদালতের রায় পাওয়ার পরও ৮০ শতাংশ ফসলি জমির দখল বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোক্তার হোসেন বেপারী ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা দাবি করা আবু সাঈদ ও তাঁর স্বজনেরা জমি বুঝে পেতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মামলার নথি ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। আবু সাঈদ, পিতা রশিদ বেপারী, ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিক বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে মোক্তার হোসেন বেপারী ও তাঁর লোকজন জমিটি দখলে রেখে চাষাবাদ ও ফসল ভোগ করে আসছেন। এতে জমির মালিকানা দাবি করা পরিবারটি জমি ও ফসলের ভোগদখল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ নিয়ে ২০১৪ সালে আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, জমিসংক্রান্ত কাগজপত্র ও নথি পর্যালোচনা শেষে ২০২৬ সালে আদালত তাঁদের পক্ষে রায় দেন। তবে রায় পাওয়ার পরও তাঁরা জমির দখল বুঝে পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁদের আরও অভিযোগ, জমিতে যেতে চাইলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু সাঈদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমাদের জমি অন্যায়ভাবে দখলে রেখে ভোগদখল করা হচ্ছে। আদালতে আমাদের পক্ষে রায় হওয়ার পরও জমির দখল বুঝে পাচ্ছি না। আমরা জমি বুঝে পেতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চাই।”
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে মোক্তার হোসেন বেপারী বলেন, তাঁদের কাছে জমির দলিল রয়েছে। আদালত কীভাবে এ রায় দিয়েছেন, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
দীর্ঘদিনের এই জমি বিরোধের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি এবং আইনানুগভাবে জমির দখল বুঝে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান ভুক্তভোগী পরিবার আদালতে উচ্ছেদ মামলা করলে পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব