রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে আলোচনার মুখে পড়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও তার ভাই মাহবুব আলম মাহি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়লে দুজনেই ফেসবুকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট বনি আমিন দাবি করেন, মাহফুজ আলমের ভাইয়ের অস্ট্রেলীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৬ কোটি টাকার লেনদেন নিয়ে AUSTRAC (অস্ট্রেলিয়ান ট্রানজেকশন রিপোর্টস অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেন্টার) তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পে প্রভাব খাটিয়ে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে, যা কমিশনভিত্তিক লেনদেন।
এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে মাহবুব আলম মাহি ফেসবুকে একটি পোস্টে দাবি করেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। তিনি জানান, তার অস্ট্রেলিয়ার একাউন্টটি বৈধ এবং এখনো সক্রিয়। তিনি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করেছিলেন এবং তার ব্যাংক লেনদেন স্বচ্ছ।
মাহি লিখেন, “আমার বা আমাদের পরিবারের আর্থিক লেনদেনে কোনো অসঙ্গতি নেই। আমাদের ব্যবসা গত ৩০ বছর ধরে চলমান, যা সম্পূর্ণ বৈধ। আমার ভাই রাষ্ট্রীয় কোনো প্রজেক্টে তদবির করেননি, আমিও করিনি।”
তিনি আরও বলেন, “বনি আমিন ও কিছু গণমাধ্যম যে তথ্য ছড়াচ্ছে, তা মিথ্যা। তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।”
পরে রাত ২টা ৫৯ মিনিটে মাহফুজ আলম তার ভাইয়ের স্ট্যাটাস শেয়ার করে লেখেন, “তদবিরের কথা যখন উঠেছে, তখন একটি ঘটনা বলি। একবার একটি টেন্ডারের বিষয়ে তদবিরের চেষ্টা হয়েছিল, যা আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করি। রাষ্ট্রের দায়িত্ব একটি পবিত্র আমানত।”
তিনি আরও দাবি করেন, “গত ১২ মাসে কেউ আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ আনতে পারেনি। এখন কিছু মহল রাজনৈতিক কারণে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে গুজব দিয়ে আমাদের থামানো যাবে না।”
নিউজটির পরিশেষে মাহফুজ বলেন, “রাষ্ট্রের ইজ্জত হাজার কোটি টাকার চাইতে বেশি মূল্যবান। তাই কোনো ভুল ব্যাখ্যার আগেই আমরা ব্যাখ্যা দিয়েছি।”
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম