বেনাপোল প্রতিনিধি: অতিরিক্ত বর্ষণে দেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে আমদানি বেড়েছে। কেবল বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়েই গত এক মাসে ১ হাজার ৩৫৬ টন কাঁচা মরিচ এসেছে। তবে পর্যাপ্ত আমদানি থাকা সত্ত্বেও বাজারে কার্যকর তদারকি না থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এতে ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক মাস আগে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় পৌঁছেছে। অথচ আমদানিকারকদের নথি অনুযায়ী ভারত থেকে প্রতি কেজি মরিচ আমদানির পর সব খরচ মিলিয়ে বেনাপোল বন্দরে দাম দাঁড়াচ্ছে সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।
যশোরের উষা ট্রেডিংয়ের এক আমদানিকারক জানান, মরিচের বড় অংশ মহারাষ্ট্র থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে তাঁরা সামান্য লাভেই বিক্রি করছেন। কিন্তু হাতবদল হয়ে খুচরা বাজারে দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাচ্ছে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে সরকারকে ৩৬ টাকা শুল্ক দিতে হয়। শুল্ক কমানো হলে আমদানি ব্যয়ও হ্রাস পাবে, যা বাজারমূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
বেনাপোল বাজারের আনন্দ বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক জানান, বর্তমানে বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় দাম চড়া। তবে আমদানি আরও বাড়লে দাম কমতে পারে।
সাধারণ ক্রেতা আমিনুর রহমান অভিযোগ করেন, কাঁচা মরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে সঠিকভাবে তদারকি নেই।
বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে মরিচ আমদানিও বাড়ছে। বন্দরে ট্রাক প্রবেশের পর মান পরীক্ষার মাধ্যমে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
রিপোর্টার্স২৪/প্রীতিলতা