ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য ‘বৃহৎ আকারের গুপ্তচরবৃত্তি অভিযান’ পরিচালনা করেছে চীন। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি এমন অভিযোগ যুক্তরাজ্যের। চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানিয়েছেন ব্রিটেনের উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাথিউ কলিন্স।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) ব্রিটিশ সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরারত দিয়ে এ খবর দিয়েছে পলিটিকো।
যুক্তরাজ্যের উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাথিউ কলিন্স জানান, সরকারের সমালোচনার জবাবে তিনটি সাক্ষ্যনথি প্রকাশ করা হয়, যেখানে চীনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ‘অত্যন্ত দক্ষ’ এবং যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ পরিসরে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম’ চালাচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য হুমকি।
চীনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির কর্মকাণ্ড যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা বা স্বার্থের পরিপন্থী ছিল। তারা যে তথ্য সরবরাহ করেছিলেন, তা চীনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকারে আসতে পারত। এ ঘটনার পর যুক্তরাজ্যে ব্যাপক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
ম্যাথিউ কলিন্স বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা যেখানে বাধ্য হব, সেখানে চ্যালেঞ্জ জানাবো। যেখানে পারি সহযোগিতা করব।
এই মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন ৩০ বছর বয়সী সাবেক সংসদ গবেষক ক্রিস্টোফার ক্যাশ এবং ৩৩ বছর বয়সী শিক্ষক ক্রিস্টোফার বেরি। তারা ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এক কথিত চীনা গোয়েন্দা এজেন্টের কাছে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করেন। চীনের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পরে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয় বিট্রেন।
রিপোর্টার্স২৪/টিআই