| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইসরাইলি হামলায় এতিম হয়ে পড়া গাজার শিশুদের হৃদয়বিদারক বর্ণনা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ইং | ০৩:৫২:৩৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২২৩৮৩০ বার পঠিত
ইসরাইলি হামলায় এতিম হয়ে পড়া গাজার শিশুদের হৃদয়বিদারক বর্ণনা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরাইলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পুরো উপত্যকা। প্রতিদিনের বোমা, গোলা ও হামলায় সেখানে অসংখ্য পরিবার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। কেউ হারিয়েছে সন্তান, কেউ বাবা-মা আর অনেক শিশু এত অল্প বয়সেই এতিম হয়ে পড়েছে যে, তারা এখনো বুঝতেই পারছে না তাদের জীবনে কী ভয়াবহ শূন্যতা নেমে এসেছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) আলজাজিরা প্রকাশিত এক ভিডিও প্রতিবেদনে ধরা পড়ে গাজার এসব শিশুদের অসহায় মুখ আর তাদের বেদনার গল্প। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি কয়েকজন ছোট শিশুদের পাশে বসে তাদের সঙ্গে কথা বলছেন জিজ্ঞেস করছেন, তাদের বাবা বা মা এখনও বেঁচে আছেন কিনা।

এক শিশু শান্ত স্বরে জানায়, আমার বাবা-মা দুজনই মারা গেছে। পাশে থাকা এক মেয়ে শিশুকে দেখিয়ে সে আরও বলে, তার বাবা মারা গেছে। ওই ব্যক্তি বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করেন, সত্যিই? তোমার বাবাও মারা গেছে? তখন অন্য এক শিশুকে দেখিয়ে কেউ বলে, না, ওর মা মারা গেছে।

মেয়ে শিশুটি জানায়, নাবলুসে ইসরাইলি হামলায় তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। আরেক ছেলে নিজের গল্প বলতে গিয়ে বলে, “আমার বাবা মারা গেছে মেরাজে। তিনি আমাদের জন্য আটা আনতে বের হয়েছিলেন। যেন আমরা খেতে পারি। এরপর সে মাথা নিচু করে জানায়, বাবা শহীদ হয়েই ফিরেছেন। প্রশ্ন করা হলে শিশুটি স্বীকার করে যে, বাবাকে হারানোর কষ্ট তার প্রতিদিন তাড়া করে বেড়ায়।

পাশের মেয়েটি বলে, আমার বাবাকে ইসরাইলি সেনারা তিনবার গুলি করেছে। আরেক শিশু তার বুকে আঙুল রেখে দেখায় আমার বাবাকে এখানে গুলি করা হয়েছিল। শিশুটির পরিচয় জানতে চাইলে সে জানায়, তারা ‘ওদা’পরিবার থেকে এসেছে এবং এখন জেইতুন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে।

আরেক মেয়ে শিশুকে তার বাবার নাম জিজ্ঞেস করলে সে বলে ফাদি। তারপর অশ্রুসিক্ত চোখে বলে, তিনি নাবলুসে লাকড়ি কুড়াতে গিয়েছিলেন। সেগুলো বিক্রি করে আমাদের আটা জোগাড় করার জন্য। কিন্তু তিনি আর জীবিত ফিরে আসেননি। গাজার শিশুদের এমন বেদনার্ত কথাগুলো আবারও মনে করিয়ে দেয়। যুদ্ধ শুধু শহর, ঘর বা অবকাঠামো ধ্বংস করে না, সবচেয়ে বড় ক্ষত সৃষ্টি করে কচি প্রাণগুলোর ভবিষ্যতে। সূত্র: আলজাজিরা


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪