স্টাফ রিপোর্টার: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও ছায়ানটসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা “অনভিপ্রেত ও উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বার্তায় বলা হয়, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার। এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা এই অধিকারগুলোর ওপর সরাসরি আঘাত।
সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, দেশে পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে মতভেদ প্রকাশ গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি, ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা সম্পর্কেও তারা গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, শহীদ হাদির মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। তাকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণহীন রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি মিডিয়াসহ সব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনটি জুলাই ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান এবং শহীদ হাদির স্বপ্নের বাংলাদেশ রক্ষায় সকল ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।