রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় টানা কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় বুধবারও বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিজেপিসহ বিভিন্ন সংগঠন।
এদিন পশ্চিমবঙ্গের ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত চেকপোস্ট পেট্রাপোলে প্রতীকী বিক্ষোভ করে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই এ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন। ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার পেট্রাপোলে জড়ো হন বিজেপি সমর্থকরা।
বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে স্লোগান দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
পেট্রাপোল সীমান্তে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিজেপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাই অংশ নেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বিক্ষোভকারীদের সীমান্ত এলাকা থেকে কিছুটা দূরে আটকে দেয়।
এদিকে কলকাতা সংলগ্ন হাওড়াতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিজেপির কর্মীরা। বিক্ষোভ ঠেকাতে হাওড়া ব্রিজের আগে থেকেই পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সেই ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন এবং পরে হাওড়া ব্রিজ অবরোধ করেন।
হাওড়ার বিক্ষোভেও বিজেপি কর্মীরা বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
অন্যদিকে ত্রিপুরা থেকেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রতিবাদে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি