| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বে খুন হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোছাব্বির : ডিবি

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১১, ২০২৬ ইং | ১৮:৫৮:২৬:অপরাহ্ন  |  42376 বার পঠিত
কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বে খুন হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোছাব্বির : ডিবি

সিনিয়র রিপোর্টার: রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর মোছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে  বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকা, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-  জিন্নাত (২৪), মোঃ বিল্লাল, আব্দুল কাদির (২৮) ও  মোঃ রিয়াজ (৩১)। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই শ্যুটারের একজন জিন্নাত, মূল সমন্বয়কারী মোঃ বিল্লাল, ঘটনার পর আসামীদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির ও ঘটনার আগেরদিন ঘটনাস্থল রেকিকারী মোঃ রিয়াজ ।  গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নম্বর প্লেট বিহীন একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ৬০০০ (ছয় হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়। 

 ডিবি প্রধান বলেন, আসামিদের আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আমরা তদন্ত করছি।

হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কী, এর সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কেউ জড়িত আছে কিনা জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এটা একটি আলোচিত ঘটনা ছিলো। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি। হত্যার উদ্দেশ্য উদঘাটনের জন্য আমরা তদন্ত করে বের করব।

আসামিদের রাজনৈতিক কোনো পরিচয় আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। এখানে কিন্তু আপন দুই ভাই গ্রেপ্তার আছে ও তাদের আরেক ভাই পলাতক যিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত। আমাদের প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই হত্যাকাণ্ড ব্যবসাকেন্দ্রীক। এছাড়া আরও কোনো কারণ আছে কিনা। ভিকটিম রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, রাজনৈতিক কারণ ছিল, কিনা তা আমরা তদন্ত করব। আসামিদের ব্যবসা আছে কারওয়ান বাজারে, তবে তাদের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ওঠা-বসা ছিলো। এ ঘটনায় রহিম নামে আরেকজন শুটার এখনো পলাতক রয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বিদেশ থেকে ১৫ লাখ টাকা পাঠানোর কথা শোনা যাচ্ছে, এ প্রসঙ্গে শফিকুল ইসলাম বলেন, অনেকগুলো বিষয় আছে যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এরমধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে মাছাব্বির একটি মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল, সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি একজন উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪