| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ইং | ১৫:২২:৩১:অপরাহ্ন  |  ৩৩১ বার পঠিত
হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশে হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় দফায় বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকার অধিকাংশই ইতোমধ্যে ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার টিকাদান কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় দফায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

তিনি বলেন, দেশের শিশুদের হাম থেকে সুরক্ষা দিতে সরকার দ্রুততার সঙ্গে টিকা সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা করেছে। এর ফলে বড় পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ঢাকার হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ কমাতে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা আরও জোরদার করা হয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়েই যেন ডেঙ্গু রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পান, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে দেশের উপজেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে আরও কার্যকর করে তোলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ঢাকার বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪