| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

প্রেমের ফাঁদে হোটেলে নিয়ে ব্ল্যাকমেইল, হানিট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ইং | ১৮:২৮:১০:অপরাহ্ন  |  ৩৯৩ বার পঠিত
প্রেমের ফাঁদে হোটেলে নিয়ে ব্ল্যাকমেইল, হানিট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাসা বা হোটেলে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) ও সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। তাদের মধ্যে জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান চক্রটির মূল হোতা এবং প্রীতম তার ভাগিনা ও সাবরিনা তার ভাগিনার স্ত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, চার ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটিকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। চক্রের সদস্যরা ঘন ঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

পরবর্তীকালে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পাঁচটি মোবাইল ফোন, তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি টর্চার বেল্ট উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক, বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে কৌশলে তাদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে আসতে প্রলুব্ধ করতেন। ভুক্তভোগীরা সেখানে গেলে চক্রের পুরুষ সদস্যরা তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ভুক্তভোগীদের আত্মীয়স্বজনের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন।

ডিবি প্রধান আরও জানান, একবার টাকা আদায়ের পরও চক্রটি থেমে থাকত না। ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আরও টাকা আদায় করা হতো।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪