নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকেই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এমন স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সাফল্যে আনন্দিত নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিবারও।
ফলাফল ঘোষণার সময় প্রার্থীদের চোখেমুখে ছিল উৎকণ্ঠা। পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যখন উত্তীর্ণদের নাম ঘোষণা করা হয়, তখন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকে। চূড়ান্ত তালিকায় নিজের নাম শুনে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে আনন্দ প্রকাশ করেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বাহার উদ্দিন শরীফ। তার বাবা একজন খামারি, বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের দুর্গাপুর গ্রামে।
শরীফ জানান, ‘মাত্র ১২০ টাকায় আবেদন করেই চাকরি পেয়েছি। আমি অত্যন্ত খুশি। সততা, দেশপ্রেম ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। ’
তার বাবা বলেন, ‘আমি নিজে পড়ালেখা করতে পারিনি।
অনেক কষ্ট করে সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছি। আজ আমার ছেলের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেয়েছি, এতে আমি অনেক খুশি। ’
একইভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই পুলিশের চাকরি করার স্বপ্ন দেখতাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ’ ফলাফল ঘোষণার সময় সুমাইয়ার সঙ্গে থাকা তার মা আনন্দে কেঁদে ফেলেন।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন বলেন, ‘ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ৯১০ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে ২৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া ৫ জনকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘নিয়োগপ্রাপ্তরা জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে এবং জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করবে—এই প্রত্যাশা করছি। ’
রিপোর্টার্স২৪/এসএন