| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

প্রশ্নপত্র ফাঁস, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৫, ২০২৫ ইং | ১২:২০:২১:অপরাহ্ন  |  ১৩৭৯৭২৩ বার পঠিত
প্রশ্নপত্র ফাঁস, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছেন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। এ সময় ফলাফল ঘোষণার প্রস্তুতিসহ নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে কার্যালয়ের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে শহরের এনএস রোডে অবস্থিত ওই কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধরা। তাদের দাবি, শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে অবিলম্বে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

শুক্রবার কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সাতটি পদের ১১৫টি শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৭৮৯ জন। এর মধ্যে ৫০ ভাগের কিছু বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। 

অভিযোগ উঠেছে,  পরীক্ষার আগেই রাতেই কুষ্টিয়া শহরের একটি বাসায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে প্রবেশ করে এবং পরীক্ষার আগমুহূর্তে বেরিয়ে যায়। গুঞ্জন ওঠে তাদের একত্রে নিয়ে পরীক্ষার উত্তর মুখস্থ করানো হয়েছে। 

বিতর্ক আরও বাড়ে  যখন জানা যায় চাকরিপ্রার্থীরা যে বাসা থেকে বের হয়েছেন, সেটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা.হোসেন ইমামের। 

এদিকে  কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২৬ অক্টোবর এই ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ পরীক্ষার বিরুদ্ধে কর্মসূচি ঘোষণা করা হযেছিল। কিন্তু জানতে পারলাম দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই আজকে তড়িঘড়ি করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এ জন্য তাৎক্ষণিক এই কর্মসূচি ঘোষণা করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের মধ্যেই ওই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ও নতুন পরীক্ষার ঘোষণা দিতে হবে। সেই সঙ্গে যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। নয়তো কুষ্টিয়া অচল করে দেওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে আরএমও ডা. মোহাম্মদ হোসেন ইমাম বলেন, ভোররাতের ঘটনায় আমি কিছুই জানি না। আমার পৈত্রিক বাড়িতে আমি আর আমার ভাই ছাড়াও তিনটি ফ্লোরে মেস রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ওই মেসেই এসেছিল। তারা বলেছেন, সিভিল সার্জন অফিসের পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছেন। গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে তারা কেন পালিয়েছে, সেটাও আমার অজানা।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের বাসা থেকে পরীক্ষার্থীদের বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় আমরা লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি জানিয়েছি। এ বিষয়ে তারাই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪