| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ফরিদপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ইং | ১১:৩৭:০০:পূর্বাহ্ন  |  ১৩৩৮০৭৪ বার পঠিত
ফরিদপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হল, ধর্ষণ ও হত্যার শিকার ওই নারীর দুলাভাই ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর ব্যাপারি (৩৮), একই গ্রামের কামরুল মৃধা (৩৮), আলী বেপারি (৪৩) ও চরদড়ি কৃষ্ণপুর গ্রামের বক্কার বেপারি (৩৮)। 

আদালত ওই চার আসামিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দুটি ধারায় রায় দেন। হত্যার ঘটনায় আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও ধর্ষণের দায়ে ওই চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা দুই সাজা একসাথে ভোগ করতে পারলেও উভয় দণ্ডের আর্থিক জরিমানা তাদেরকে প্রদান করতে হবে। 

এ মামলার আরও দুই আসামি মমতাজ বেগম (৬৩) ও আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত আলী বেপারির বাবা আবুল কালাম বেপারি (৬৮)কে এ মামলার আলামত নষ্ট করার দায়ে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ রায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত গণধর্ষণ ও হত্যার শিকার ওই নারীর দুলাভাই জাহাঙ্গীর ব্যাপারি ছাড়া সকলে আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর পুলিশ প্রহরায় তাদের জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। 

আদালত সূত্রে জানা যায় ২০১২ সালের ১ অক্টোবর রাত ১টার দিকে জাহাঙ্গীর বেপারি তার দলবল নিয়ে এসে শ্যালিকার বাড়িতে গিয়ে বলে তোমার বোন এসেছে দরজা খোল। শ্যালিকা দরজা খোলার সাথে সাথে জাহাঙ্গীরসহ অন্য আসামিরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার নারীর মা বাদী হয়ে ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট দুই নম্বর আমলি আদালতে জাহাঙ্গীরসহ ৭ জনকে আসামি করে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেন।

২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম গত জাহাঙ্গীরসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

এ মামলার সরকারি কৌশলী (পিপি) গোলাম রব্বানী ভুইয়া বলেন, ২০১২ সালে ঘটনা ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট থানা মামলাটি না নেওয়ায় পরবর্তীতে আদালতে মামলা হয়। এ মামলাটি তদন্ত করার জন্য সদরপুর থানার এসআই, ওসি, ঢাকার সিআইডি ও সর্বশেষ ফরিদপুরের ডিবিসহ মোট সাতজন কর্মকর্তা তদন্ত করেন। ঘটনার পাঁচ বছর পর ফরিদপুর ডিবির এসআই মো. আবুল কালাম আদালতে অভিযোগ পত্র দেন। এ মামলার নিয়ে দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি হলেও ন্যায় বিচার পেয়ে আমরা (রাষ্ট্রপক্ষ) সন্তুষ্ট।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪