| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের ধারা সংশোধনের আহ্বান জানালো টিআইবি

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ০২, ২০২৫ ইং | ১৭:০৯:০৮:অপরাহ্ন  |  ১৩১৪৯৪৭ বার পঠিত
মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের ধারা সংশোধনের আহ্বান জানালো টিআইবি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত "জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫"-এর বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধনের জোর দাবি জানিয়েছে। 

টিআইবির মতে, অধ্যাদেশের বর্তমান কিছু বিধান বৈষম্যমূলক কমিশন গঠনে সহায়ক এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বাধীন ও কার্যকর কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। 

রোববার (২ নভেম্বর, ২০২৫) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবি এই উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের আহ্বান জানায়। 

টিআইবি যে সব বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে: বৈষম্যমূলক নিয়োগ ও অকার্যকারিতা: গ্লোবাল অ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ইনস্টিটিউশনস (GANHRI)-এর মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করে টিআইবি বলেছে যে, অধ্যাদেশে কমিশনের চেয়ারপারসনসহ ৭ জন সদস্যের মধ্যে ২ জনকে খণ্ডকালীন নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক এবং উভয় শ্রেণির সদস্যদের জন্য বিব্রতকর। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটি শুরু থেকেই কমিশনের অকার্যকরতার অন্যতম কারণ।

আইনের প্রাধান্য: টিআইবি সুপারিশ করেছিল যে, অধ্যাদেশের ধারা ১৪-তে এমন একটি বিধান যুক্ত করা হোক যেখানে বলা থাকবে, মানবাধিকার সংক্রান্ত অন্য কোনো আইন এই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে এই আইন প্রাধান্য পাবে। এই সুপারিশটি গৃহীত না হওয়ায় সংস্থাটি হতাশা প্রকাশ করেছে, কারণ এটি কমিশনের ভূমিকাকে শক্তিশালী করতে পারতো।

তদন্তের সুযোগ: সব অভিযোগে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক অনুসন্ধানের বিধান বাতিল করে আমলযোগ্য গুরুতর অভিযোগে সরাসরি তদন্তের সুযোগ রাখার প্রস্তাবও অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। টিআইবি মনে করে, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক অনুসন্ধান দীর্ঘসূত্রতা বাড়াবে এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি কঠিন করে তুলবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: কমিশনের চেয়ারপারসন ও সদস্যদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য তাদের যোগ্যতা ও প্রার্থিতার বিবরণ অনলাইনে প্রকাশের সুপারিশও উপেক্ষা করা হয়েছে। 

যদিও টিআইবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কিছু সুপারিশ খসড়া অধ্যাদেশে প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংস্থাটি সন্তোষ প্রকাশ করেছে, তবে উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতাগুলো দূর করতে অবিলম্বে অধ্যাদেশটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছে । 


রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪