রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর প্রচারসভায় হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার সরকার প্রধানের দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এরশাদ উল্লাহ হামলার মূল লক্ষ্য ছিলেন না; একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে তিনি আহত হন। সরকার তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই।” পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার সকল রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকদের শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী পূর্ব মসজিদের কাছে এরশাদ উল্লাহর প্রচারসভায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এরশাদ উল্লাহসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধদের মধ্যে সরোয়ার হোসেন বাবলা নামে এক ব্যক্তি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মারা যান। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হলেও সাম্প্রতিক সময়ে নিজেকে বিএনপি কর্মী দাবি করতেন। বাকি আহত তিনজন:ইরফানুল হক শান্ত, আমিনুল হক ও মর্তুজা হক—বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি