| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ত্রয়োদশ সংশোধনী আবারও বৈধ ঘোষণা করেছে আপিল বিভাগ

ঐতিহাসিক রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২০, ২০২৫ ইং | ০৪:৩১:৪৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২৫০৭৩২ বার পঠিত
ঐতিহাসিক রায়ে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে অবশেষে বড় পরিবর্তন এসেছে। সংবিধান থেকে বাতিল হওয়া বহুল আলোচিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

রায় ঘোষণা সময় আদালতকক্ষ ছিল আইনজীবী, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মীতে পরিপূর্ণ, যা এ রায়ের গুরুত্ব ও জনআগ্রহেরই প্রতিফলন।

এদিকে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। তবে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে ২০ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে আদালত। শুনানিতে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য আপিলকারীদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন- দেশ স্থিতিশীল করতে এবং নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনাই প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১০ মে তৎকালীন আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অকার্যকর ঘোষণা করেছিল। পরে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও জনআগ্রহের প্রেক্ষাপটে ফের আইনি লড়াই শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৭ আগস্ট বাতিল রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রহণ করেন আদালত এবং আপিলের অনুমতি দেন। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই রায়কে যুগান্তকারী হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কাঠামোয় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪