স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধানকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের পাশের গাছগুলো কেটে ফেলা হয়। ঘটনাটি দিনের আলোতেই সংঘটিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এই অবৈধ গাছ কর্তনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে মোজাহার হোসেনের বিরুদ্ধে। একই ঘটনায় রাজন ওরফে রুবাব সহযোগী হিসেবে সম্পৃক্ত ছিলেন বলেও স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তরা প্রভাব খাটিয়ে ও প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নির্বিঘ্নে সরকারি সম্পদ লুটের এই কাজ সম্পন্ন করেছে।
ঘটনার পর এখনো পর্যন্ত কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি রাস্তার পাশে গাছ কর্তন আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু পরিবেশ ধ্বংসই নয়, বরং জলবায়ুর ভারসাম্য নষ্ট করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয়ের পথ তৈরি করছে।
এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করা হয়েছে। তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে সরকারি রাস্তার পাশে অবৈধ গাছ কর্তন রোধে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন