| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ওসমান হাদির খুনি ফয়সালের দুই সহযোগী ভারতে আটক

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ ইং | ১৩:১৪:৩৪:অপরাহ্ন  |  ৩০০৫৯৮ বার পঠিত
ওসমান হাদির খুনি ফয়সালের দুই সহযোগী ভারতে আটক
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: ঢাকার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি ফয়সাল করিমের দুই সহযোগীকে ভারতে আটক করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার মূল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ওরফে দাউদ খান বর্তমানে দেশে নেই; তিনি ভারতের মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন। ফয়সালকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে পুত্তি ও স্বামী নামের তার দুই সহযোগীকে ভারতের মেঘালয় থেকে আটক করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দ্রুত মামলার চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে এবং ৭ জানুয়ারির মধ্যে তা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তদন্তকালে পুলিশ দুটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, একটি মোটরসাইকেল, ভুয়া নম্বর প্লেট এবং ৫৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ২১৮ কোটি টাকার চেক উদ্ধার করেছে। তবে হত্যার পেছনের মূল উদ্দেশ্য (মোটিভ) এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, মূল সন্দেহভাজন ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা না গেলে মোটিভ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, মেঘালয় পুলিশের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে যোগাযোগের মাধ্যমে ফয়সালকে সহায়তাকারী দুই সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ডিএমপি সূত্র জানায়, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ও তার অজ্ঞাত সহযোগীরা চলন্ত অবস্থায় হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যুর পর ২০ ডিসেম্বর আদালতের আদেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪