সিনিয়র রিপোর্টার: দেশে বাণিজ্য-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য প্রথম বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায়, সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন।
বর্তমানে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি নির্দিষ্ট আদালতের মাধ্যমে না হওয়ায় জেলা ও সহকারী জজ আদালত, অর্থঋণ আদালত, আন্তর্জাতিক সালিশি কেন্দ্র ও হাইকোর্টের অ্যাডমিরালটি/কোম্পানি বেঞ্চের মাধ্যমে সমাধান করা হচ্ছে। আদালতগুলোর মামলার চাপের কারণে বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে, যা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে জটিলতা সৃষ্টি করছে।
নতুন বাণিজ্যিক আদালতের মাধ্যমে জেলা জজদের মধ্য থেকে বিচারক নিয়োগ হবে। ২.আপিল হাইকোর্টের বাণিজ্যিক আপিল বেঞ্চে হবে। ৩.মামলা দায়েরের আগে মধ্যস্থতাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।৪.মধ্যস্থতার সমঝোতা সালিশি রায়ের সমান আইনগত কার্যকারিতা পাবে।৫.চূড়ান্ত শুনানি ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
আইনজ্ঞরা মনে করছেন, বিশেষায়িত এই আদালত ব্যবসায়-সংশ্লিষ্ট বিরোধ দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সমাধান করতে সাহায্য করবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করবে।
বিদেশের উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, ভারতের প্রদেশ পর্যায় থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত রয়েছে, আর শ্রীলঙ্কায় হাইকোর্ট পর্যায়ে এই ধরনের আদালত প্রতিষ্ঠিত।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি