রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে কমপক্ষে সাতটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। বিস্ফোরণগুলো কেন্দ্রীয় সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থানে ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে উড়ন্ত বিমান ও বিস্ফোরণের ধোঁয়া দেখা গেছে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে।
বিবিসি ও আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় ছুটে আসে। ভেনেজুয়েলার সরকার এখনো তাৎক্ষণিক মন্তব্য দেয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিবিসি ও মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে এ বিষয়ে অবগত।
ভেনেজুয়েলা সরকার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসন অত্যন্ত গুরুতর এবং আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এটি প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানাচ্ছি।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারাকাসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা এবং প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলার চলমান উত্তেজনার সম্পর্ক স্পষ্ট। ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং দেশজুড়ে মাদক পাচারে জড়িত। ভেনেজুয়েলা সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা।
বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
রিপোর্টার্স২৪/ আয়েশা