| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জবি গেটে উত্তেজনা, ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে আটক ঘিরে বিতর্ক

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ ইং | ১৮:৩১:১১:অপরাহ্ন  |  76102 বার পঠিত
জবি গেটে উত্তেজনা, ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে আটক ঘিরে বিতর্ক
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে ছাত্রদল।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ব্যক্তি মাহিমা আক্তার, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। তার স্বামী রিয়াজুল ইসলাম জকসু নির্বাচনে ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এবং জবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি।

কী ঘটেছিল?

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাহিমা আক্তার ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তার পরিচয় জানতে চান এবং নিকাব ও মাস্ক খুলতে চাপ দেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে পুলিশের একটি গাড়িতে তোলা হয়। পরে কিছু সময় আটক রাখার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম, বর্তমান সদস্য সচিব সামছুল আরেফিনসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য

মাহিমা আক্তার বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ছাত্রদলের নেতারা এসে আমাকে হেনস্তা করেন। আমার সঙ্গে একজন আত্মীয় ছিলেন। আমরা গেটের বাইরে ছিলাম, তবুও তারা আমাকে হিজাব ও মাস্ক খুলতে বলেছিলেন।

শিবির প্রার্থীর অভিযোগ

ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন,আমার স্ত্রী ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেই প্যানেলের পক্ষে কাজ করছিল। সকাল থেকেই ছাত্রদল গেটের আশপাশে বিশৃঙ্খলা করছিল। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ছাত্রদলের পাল্টা বক্তব্য

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামছুল আরেফিন বলেন,মাহিমা আক্তার ও আরও একজন ব্যক্তি ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। আমাদের কর্মীরা তাদের কাছে পাস কার্ড দেখতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা তা দেখাতে পারেননি। এ কারণেই তাদের প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়েছিল।

প্রশাসনের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন,বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা হস্তক্ষেপ করেছি। তিনি এই ক্যাম্পাসের সাবেক শিক্ষার্থী এবং ঘটনার সময় ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তাকে আটক রাখা হয়েছিল, পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪