| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চট্টগ্রামে খতনা করাতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু !

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ০৭, ২০২৬ ইং | ১২:১২:৫৪:অপরাহ্ন  |  ১০০৯৬০২ বার পঠিত
চট্টগ্রামে খতনা করাতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু !

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে মোহাম্মদ মোস্তফা নামে সাত বছর বয়সি এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) নগরের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হয়। পরে দ্রুত তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলেও ওইদিন রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

এই ঘটনায় চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন নিহতের স্বজনরা। 

মোস্তফার বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডি গ্রামে। তারা বাবার নাম আবু মুসা। তিনি জানান, শনিবার সকালে তিনি ছেলেকে চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার সেইফ হেলথ কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করান। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মোস্তফাকে সার্জারি কক্ষে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পর মোস্তফাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়। এরপর রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুসনদে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবু মুসা বলেন, অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহারে ত্রুটির কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। না হয় খতনার মতো একটি নিয়মিত চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় সন্তানের প্রাণ হারানো এটা নেওয়া অসম্ভব।

এর আগে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর মোস্তফাকে ওই চিকিৎসকের কাছে প্রথম দেখানো হয়। ব্যবস্থাপত্রে তার প্রস্রাবের রাস্তায় জন্মগত ত্রুটি ‘গ্ল্যানুলার হাইপোস্প্যাডিয়াস’ শনাক্ত করা হয়। সেখানে খতনা ও ছোট পরিসরের একটি অস্ত্রোপচারের কথা উল্লেখ ছিল এবং জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও সেইফ হেলথ কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, সাধারণত খতনার সময় স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয় এবং এতে খুব কম ক্ষেত্রেই জটিলতা দেখা দেয়। তবে এই ঘটনায় কী ঘটেছে, তা বিস্তারিত তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪