| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নোয়াখালীতে মাদ্রাসার জায়গা দখল, চলাচলে বাঁধার প্রতিবাদে মানববন্ধন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২০, ২০২৬ ইং | ২০:১৭:৪৭:অপরাহ্ন  |  ৮৬৭ বার পঠিত
নোয়াখালীতে মাদ্রাসার জায়গা দখল, চলাচলে বাঁধার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের করমুল্যাহ গ্রামে অবস্থিত 'করমুল্যাহ হযরত আয়েশা (রাঃ) মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা'র জায়গা দখল, নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি,  চলাচলে বাঁধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। 

বুধবার দুপুরে করমুল্যাহ গ্রামে মাদরাসার সামনে সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী,  শিক্ষক শিক্ষিকাসহ এলাকার শত শত নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। 

এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার যুবক আলা উদ্দিন ও আব্দুর রহিম মাদ্রাসার জায়গা জমি দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসার নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি, মাদ্রাসা চলাচলের জায়গা বন্ধ করে হুমকি দেয় অভিযুক্ত আলা উদ্দিন ও আব্দুর রহিম। ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল মোতালেব ওরপে কামাল হুজুরকে মারধর করেন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে থানায় মামলা করার পর তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে নারী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে যাতে করে মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। 

এ সময় নববন্ধনে মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল মোতালেব হুজুর বলেন, তিনি ২০০৪ সালে  এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় মানুষদের নিয়ে এলাকায় নারী শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে দিতে মহিলা মাদ্রাসাটি চালু করেন। বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষের ধারে ধারে গিয়ে হাত পেতে অনুদান নিয়ে কোন মতে প্রতিষ্ঠানটা চালিয়ে যাচ্ছি,  তার স্ত্রী, মেয়ে ও মাদ্রাসার শিক্ষকতা করছেন। 

তিনি আরও বলেন, অন্য শিক্ষকদের বেতন দিলেও আমরা কোনদিন ১ টাকা বেতন নেয়নি কোন রকম ডালভাত খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে যাচ্ছি। নিজে না খেয়েও  অনেক কষ্টে আজকে প্রতিষ্ঠানটি একটি ভালো পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছি।  ২০২০ সালের পর থেকে অভিযুক্ত আলা উদ্দিন ও আব্দুর রহিমসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা মাদ্রাসার মেয়েদের ইভটিজিং,  শ্লীলতাহানির ও বাজে প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তিনি তার প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করে। তিনি নিরুপায় হয়ে থানা পুলিশের কাছে ২/৩ টি অভিযোগ দিয়েছেন কোন প্রতিকার পাননি। 

পরিচালক আব্দুল মোতালেব আরও বলেন, এখন তারা এ প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস করার পায়তারা করছে। একটি কুচক্রী মহলকে সাথে নিয়ে তারা মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবী করছে নয়তো তারা মাদ্রাসার জায়গা দখল করে নিবে বলেও হুমকি দিচ্ছেন।

এদিকে পাল্টা অভিযোগ করে অভিযুক্ত আবদুর রহিম বলেন, মাদরাসা যিনি পরিচালনা করছেন তিনি ভাই বোনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন। আমাদেরকে জানানোর পর আমরা এগিয়ে যাই। তখন থেকে তিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে না। এলাকায় একজন মানুষও উনার পক্ষে নেই। 

মাইজদী পাবলিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও মাদ্রাসার দাতা সদস্য এ্যাডভোকেট আশরাফুল করিম বলেন, এলাকায় কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় মাদ্রাসাটি আমরা চালু করি।কিছু লোকের সামান্য দানে এটি চালানোর চেষ্টা করছি। এ টাকায় শিক্ষকের বেতন চলানো সম্ভব নয়। তবুও শিক্ষকেরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে চাকুরি করছেন,  কামাল হুজুর কোন প্রকার অনিয়মের সাথে জড়িত নয়, উনার প্রতিটি টাকার হিসেব আমরা পাই। যারা এসব কাজ করছে তারা সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। 

রিপোর্টার্স২৪/ফয়সাল

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪