| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই মূল লক্ষ্য: সিইসি

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২১, ২০২৬ ইং | ১৪:৫৮:২৪:অপরাহ্ন  |  ১০২১৩২ বার পঠিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই মূল লক্ষ্য: সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার: দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এসব রক্তপাত বন্ধ করাই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে কমিশন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, “প্রত্যেক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে খুনোখুনির ঘটনা ঘটে। এসব বন্ধে আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে। আমরা কোনোভাবেই রক্তপাত চাই না। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তবে নির্বাচন কমিশন তা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় তারা দেশের কল্যাণই চাইবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনেও সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এতে সরকারের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি অতীতের সহিংসতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন এবং ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১৬ জন নিহত হন যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সিইসি বলেন, আমাদের চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকবে না। সবার সহযোগিতা পেলে আমরা সফল হতে পারব। গণতন্ত্র শুধু জাতীয় পর্যায়ে নয়, তৃণমূল পর্যায়েও শক্তিশালী হতে হবে।

স্থানীয় সরকার কাঠামোর ব্যাপ্তি তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে যা নির্বাচন আয়োজনকে আরও জটিল ও বড় দায়িত্বে পরিণত করেছে।

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সরকারি সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তারা যে সহযোগিতা পেয়েছেন, ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে একই সহযোগিতা আশা করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের নয়। কমিশন এমন পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন।

ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না।

সবশেষে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ কমিশনের জন্য একটি কার্যকর রূপরেখা রেখে যেতে চায়, যাতে নির্বাচন ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন সম্ভব হয়।


রিপোর্টার্স২৪/ ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪