| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

এমপির ছেলে, বোনজামাই, ভাগনের বউ পেয়েছেন সারের ডিলারশিপ

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১১, ২০২৬ ইং | ১৯:১৫:৪১:অপরাহ্ন  |  ৬০৫৭ বার পঠিত
এমপির ছেলে, বোনজামাই, ভাগনের বউ পেয়েছেন সারের ডিলারশিপ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সারের ডিলার নিয়োগে কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। গত বৃহস্পতিবার ডিলার তালিকা প্রকাশের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কেউ কেউ। তিনি সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি।

অভিযোগ উঠেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের তিনটি ইউনিয়নে সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের ছেলে ও নিকটাত্মীয়রা। তাদের নামধামও প্রকাশ পেয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়ন থেকে এমপি হান্নানের ছেলে আদনান সাদী মেসার্স আলীয়াহ ট্রেডার্স নামে, নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন থেকে এমপির আপন বোনজামাই আরক মিয়া মেসার্স আয়ান ট্রেডার্স নামে এবং গোয়ালনগর ইউনিয়ন থেকে এমপির আপন ভাগ্নে শরীফের স্ত্রী নুরুন্নাহার আক্তার স্বর্ণা এস এস ট্রেডার্স নামে সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন।

এমপির ছেলে ও আত্মীয়স্বজনের সারের ডিলারশিপ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসনও। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মালয়েশিয়ায় থাকা সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

নাসিরনগর ছাড়াও জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলার ১০১টি ইউনিয়ন ও ৫ পৌরসভায় ১০৬টি সারের ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন ৮২৫ জন।

সেখান থেকে সার ডিলার-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে ২৯২ জনের আবেদন সুপারিশ করে পাঠানো হয়। প্রত্যেক ইউনিয়নের ডিলারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৩ জনের নাম সুপারিশ করে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি।

এর আগে সেপ্টেম্বরে ওই জেলা কমিটি ডিলার নিয়োগে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। জেলায় জমা হওয়া ডিলারের আবেদন উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির কাছে পাঠানো হয় যাচাই-বাছাই করতে। তারা যাচাই-বাছাই করে ৩ জনের নাম পাঠায়। সে সময় তালিকায় ৩ জনের মধ্যে এক নম্বরে নাম দেওয়া নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা-পয়সা লেনদেন হওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান জানান, উপজেলা থেকে প্রত্যেক ইউনিয়নের জন্য যে নাম এসেছে, সেগুলোই তারা সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। ২/১টি শুধু এদিক-সেদিক হয়েছে।

ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা-পয়সার লেনদেনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি এটি করিনি বা অন্য কেউ করেছে এমন অভিযোগ আমার জানা নেই। উপজেলায় তালিকার ব্যাপারে হয়তো হস্তক্ষেপ থাকতে পারে। ডিলার তালিকা প্রকাশের পর জেলা প্রশাসকের কাছে কিছু অভিযোগ জমা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪