| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সরকারী গুরুত্বপূর্ণ মৌজায় অবৈধ দলিল রেজিষ্ট্রেশনের অভিযোগ!

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৮, ২০২৫ ইং | ১৪:০০:২৯:অপরাহ্ন  |  ১৭০৩১৫৯ বার পঠিত
সরকারী গুরুত্বপূর্ণ মৌজায় অবৈধ দলিল রেজিষ্ট্রেশনের অভিযোগ!

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মৌজায় জমির দলিল রেজিস্ট্রেশনের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময়ে সরকারের ঘোষিত মৌজায় অবৈধভাবে দলিল সম্পাদন করে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ পরিকল্পনা নিয়েও।

সূত্র জানায়, গত ২৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে চর ভবানীপুর মৌজার ১৮০২৩ ও ১৮০২৪ নং দলিলের মাধ্যমে মো. দুলাল মিয়া ও ফারুক হোসেনের নামে জমি বিক্রি করেন সাজিদ আলী। এরপর চলতি বছরের ৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে ৩৬৬৯ নম্বর দলিলে চর ভবানীপুর মৌজার ৫৩২৬ ও ৫৩৫২ দাগে ৬২ শতাংশ এবং গোবিন্দপুর মৌজার ১৪৮ ও ২৩৮ দাগে ৬৫ শতাংশ জমি আশরাফুল গংয়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। সর্বশেষ ২৩ জুন ২০২৫ তারিখে জেলখানার চর মৌজার ৩৬১০ দাগে মো. কামরুল ইসলাম গংয়ের নামে সাড়ে ৬ শতাংশ জমির দলিল সম্পাদিত হয়।

অথচ এসব মৌজাই সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে এবং এসব এলাকায় জমি ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ।

২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে (স্মারক নম্বর: ০৫.৪৫.৬১০০.০০১.১৪.০০১.১৬-৪৫৬) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, “প্ল্যান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সমূদয় ভূমি একসাথে অধিগ্রহণ করতে হবে। ইতোমধ্যে জমির ক্রয়-বিক্রয় যাতে বন্ধ থাকে এ বিষয়ে চিঠি ইস্যু করা রয়েছে। 

ওই চিঠিতে গোবিন্দপুর, পাড়ালক্ষীর আলগী, চর ভবানীপুর, জেলখানার চর, চর ঈশ্বরদিয়া, দুর্গাপুর, চরসেহড়া ও ময়মনসিংহ টাউন মৌজায় জমি রেজিস্ট্রেশন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং জেলা রেজিস্ট্রারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও নিয়মিত জমি রেজিস্ট্রেশন চলছে। ‘সাবরেজিস্ট্রারকে ম্যানেজ করলেই নিষিদ্ধ জমিও বিক্রি হয়ে যায়,’—এমন মন্তব্য করেছেন অনেকে। দলিল প্রক্রিয়াগুলো যাতে প্রশাসনের নজরে না পড়ে, সে জন্য গ্রহণ করা হয় ধোঁয়াশাময় কৌশল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) তাহমিনা আক্তার বলেন, “২০১৬ সালের নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত চিঠির পরে আর কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি। নির্দেশ এখনো বহাল রয়েছে।”

তবে বাস্তবতা হলো—সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে চলছে জমির রেজিস্ট্রেশন, আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন বলেই অভিযোগ সচেতন নাগরিকদের।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪