রিপোর্টার্স ২৪ ডেস্ক: রাসায়নিক সার দিয়ে তার বদলে মিয়ানমার থেকে মাদক আনতেন একটি চক্র। শনিবার রাতে নোয়াখালির হাতিয়ার সূর্যমুখী ঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ চক্রের ৯ সদস্যকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক হাজার ১৯৪ বস্তায় থাকা ৫৯ হাজার ৭০০ কেজি ইউরিয়া সারসহ তিনটি নৌযান জব্দ করা হয়েছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন । তিনি উল্লেখ করেন,চক্রটি মিয়ানমারে সার পাচার করে তার বিনিময়ে সেখান থেকে মাদক সংগ্রহ করত।
কোস্টগার্ডের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, তারা জানতে পারেন চক্রটি বাংলাদেশি পণ্যের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, বিদেশি মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য আনতে যাচ্ছে। এর ভিত্তিতে শনিবার রাত ১টার দিকে কোস্টগার্ড স্টেশন হাতিয়ার সদস্যরা সূর্যমুখী ঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযানে নামেন। কোস্টগার্ড সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে তিনটি নৌযানে তল্লাশি করেন। এ সময় শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশে বহন করা এক হাজার ১৯৪ বস্তা রাসায়নিক সার পাওয়া যায়। এই সারের বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
রোববার চক্রের সদস্যদের হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরা হলেন– কক্সবাজারের পিত্তমখালী গ্রামের আবুল কাশেম (৪৫), চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উরিরচরের মো. সালাউদ্দিন (২৮), চট্টগ্রামের খুলশী থানাধীন দামপাড়া টাইগার পাসের মো. সোহেল (৩৫), নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার সূর্যমুখী শূন্যেরচর গ্রামের মো. বাহার (৫৭), ঢাকার দোহার উপজেলার মেথুলা বাজারের দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামের মো. আক্তার হোসেন (২৮), লক্ষ্মীপুর সদরের আঠিয়াতলি গ্রামের আনোয়ার হোসেন (৩৭), ফেনী সদরের ফাজিলপুর গ্রামের মো. সাহেল (২৮), পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানাধীন রাজাবাড়ী গ্রামের মো. নেছার উদ্দিন (৩৭) ও তাঁর ছেলে মো. সম্রাট মিয়া (১৬)।
হাতিয়া থানার ওসি আজমল হুদা জানান, কোস্টগার্ডের সদস্য মাসুদুল হাসান বাদী হয়ে এ ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।
রিপোর্টার্স ২৪ / জয়