সিনিয়র রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত ভূমিকম্পে দেশে কমপক্ষে ৫ জন নিহত এবং চার শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরান ঢাকায়, একজন নরসিংদী এবং একজন নারায়ণগঞ্জে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশজুড়ে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ঢাকার বংশালের কেপি ঘোষ স্ট্রিটের ২০/সি নম্বর ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে তিন পথচারী নিহত হন। ভবনের নিচে একটি গরুর মাংস বিক্রির দোকান থাকায় ক্রেতা ও পথচারীরাও আহত হন। বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন জানিয়েছেন, ভবন ধস হয়নি, তবে রেলিং ভেঙে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
নরসিংদীর পলাশে ভূমিকম্পের সময় মাটির দেয়াল ধসে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। এছাড়া ছাদের কার্নিশ ভেঙে তিন জন গুরুতর আহতসহ বিভিন্ন স্থানে ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে সড়কের পাশে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামে এক নবজাতক মারা গেছেন। একই ঘটনায় শিশুটির মা ও প্রতিবেশী আহত হয়েছেন। রূপগঞ্জের ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গাজীপুরের শ্রীপুরে ভূমিকম্পের সময় একটি পোশাক কারখানার কর্মীরা হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে তিন শতাধিক শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেককে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৭ এবং উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল ২৬ সেকেন্ড।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি