চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে সারাদেশ কেঁপে ওঠে। যদিও ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল চট্টগ্রাম থেকে অনেক দূরে, তবুও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিভিন্ন হলেও এর প্রভাব দেখা গেছে। বিশেষ করে শাহজালাল হল ও শাহ আমানত হলে ফাটল ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা নজরে এসেছে।
চবি শাহজালাল হলের মেয়াদ প্রায় শেষ হলেও সেখানে এখনও প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ফলে ভূমিকম্পে সবচেয়ে ঝুঁকিতে এই হল এবং শাহ আমানত হলের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এই গাফিলতির কারণে ৮০০-এর বেশি শিক্ষার্থী নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে।
চবির শাহ আমানত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রোমান হোসেন জানান, “আমার রুম ৪০৯-এ ভূমিকম্পের ফলে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদি আরও বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকত, তবেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত। এই বিষয়ে হল প্রশাসন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।”
শাহজালাল হলের শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, মেয়াদউত্তীর্ণ এই হলে থাকা এখন আতঙ্কের। ভূমিকম্পের আগেও সিলিং থেকে পলেস্তরা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে হল প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা দেখা যাচ্ছে না।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন