রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি দল অতীতে বিএনপির সঙ্গে সরকারে থাকলেও এখন এমন আচরণ করছে যেন কখনোই ক্ষমতায় ছিল না। তিনি বলেন, সমালোচনা করতে গিয়ে তারা এমন ভাব ধরে যে তারা একেবারেই নিরপরাধ, যেন কোনো দিন কোনো সরকারের অংশ ছিল না।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী জাতির সঙ্গে “বেইমানি” করেছিল বলে মন্তব্য করেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন এই দুটি দল এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে গিয়েছিল। আমাদের আন্দোলন ভিন্ন খাতে নেওয়ার বহু চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি।
বিএনপিই একমাত্র দল যে বহুবার দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম বলেন, সে সামর্থ্য নিয়েই আমরা জনগণের সামনে যাব। দায়িত্ব পেলে অতীতের ভুল সংশোধন করে জনগণের কল্যাণে কাজ করব।
রাষ্ট্রযন্ত্রকে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও জটিল যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ যন্ত্র পরিচালনার দায়িত্ব যাদের নিতে হবে, তাদের সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের তালিকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংখ্যা বেশি দাবি করে নজরুল ইসলাম বলেন, অনেকেই ভেতরে ভেতরে আন্দোলন করেছেন, কিন্তু প্রকাশ্যে আসার সাহস পাননি।
সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্লট বরাদ্দ মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের দণ্ড হয়েছে এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আদালতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নেই।
সভাপতির বক্তব্যে আমান উল্লাহ আমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে “সঠিক বিচার” হচ্ছে এবং শেখ হাসিনা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন। ‘৯০–এর সর্বদলীয় ও ছাত্র ঐক্যের নেতারাও বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি