| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সংস্কারের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

অবহেলায় জীর্ণ রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫ ইং | ২৩:১৮:১৬:অপরাহ্ন  |  ৪৩১৫৪৪ বার পঠিত
অবহেলায় জীর্ণ রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র

রংপুর প্রতিনিধি: আজ ৯ ডিসেম্বর, বেগম রোকেয়া দিবস—বাংলার নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি ঘিরে রংপুরের পায়রাবন্দে প্রশাসনের প্রচেষ্টা থাকলেও স্মৃতিকেন্দ্র ও তার ধ্বংসপ্রায় বাস্তভিটায় সংস্কারের তেমন অগ্রগতি নেই।

এবার বাংলা একাডেমী ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবারের মতো যৌথভাবে আলোচনা সভা আয়োজন করেছে। স্মৃতিকেন্দ্রে দুস্থ নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ ও শিশু-কিশোরদের জন্য আর্ট ও সঙ্গীত শিক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে একাডেমী।

এলাকাবাসী জানান, ১৯৯৬ সালে বেগম রোকেয়ার স্মৃতি ধরে রাখা ও গবেষণার জন্য পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে স্মৃতিকেন্দ্র নির্মিত হয়। ২০০১ সালে এটি বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে মালিকানা বিতর্ক, আদালতের রিট ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমী কমপ্লেক্সটির দায়িত্ব নেয়। কিন্তু সাত বছরেও কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।

রোকেয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল অভিযোগ করেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এ বছর দিবস উদযাপনে কোনো অর্থ বরাদ্দ দেয়নি। রোকেয়ার কবর কলকাতা থেকে পায়রাবন্দে এনে সমাধি নির্মাণের দাবি থাকলেও সে বিষয়ে অগ্রগতি নেই।


বর্তমানে স্মৃতিকেন্দ্রে কর্মকর্তা-সহকারী লাইব্রেরিয়ান ছাড়া আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। লাইব্রেরিতে বই নেই, গবেষণার পরিবেশ নেই। অডিটোরিয়াম, গেস্ট হাউসসহ স্থাপনাগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে; জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। একইভাবে বাস্তভিটাও অবহেলায় ধ্বংসের মুখে। দর্শনার্থীর সংখ্যা গত দুই বছরে কমে গেছে।

শিক্ষক–গবেষক ড. তুহিন ওয়াদুদ ও ড. শ্বাশত ভট্টাচার্য বলেন, শুধু দিবসকেন্দ্রিক আয়োজন নয়, রোকেয়ার স্মৃতি সংরক্ষণে নিয়মিত উদ্যোগ জরুরি।

স্মৃতিকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবিদ করিম মুন্না জানান, এবার নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ ও শিশু-কিশোরদের আর্ট–সঙ্গীত শিক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪