| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

অভ্যুত্থানের পর হওয়া কিছু মিথ্যা মামলা ঠেকাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অ্যাটর্নি জেনারেল

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১০, ২০২৫ ইং | ১১:৩৫:৫০:পূর্বাহ্ন  |  ৩৯৯২৭৭ বার পঠিত
অভ্যুত্থানের পর হওয়া কিছু  মিথ্যা মামলা  ঠেকাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: অ্যাটর্নি জেনারেল
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু মিথ্যা মামলা হয়েছে এবং এগুলো ঠেকাতে সরকার আইনগত উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিস বাংলাদেশ ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক কারণে পুলিশ নিজ উদ্যোগে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেনি। তবে ভিকটিম বা ভিকটিম পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু মিথ্যা মামলা হয়েছে, যেখানে এজহারে ১০০, ২০০ বা ৩০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক মামলা দায়েরের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

তিনি জানান, মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কেউ কেউ হতাশা প্রকাশ করলেও জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ঘটেছে। ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর কোনো জোরপূর্ব গুম বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেনি। এটি সরকারের আন্তরিকতার বড় প্রমাণ,’ বলেন তিনি।

বিগত সরকারের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, পূর্বের নৈরাজ্যবাদী বা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাষ্ট্রযন্ত্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সরকার মানবাধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে টার্গেট করে মিথ্যা মামলা ঠেকাতে পুলিশকে কঠোর সতর্কতা অনুসরণ করতে বলেছে।

মিথ্যা মামলা ঠেকাতে নতুন আইনি কাঠামো যুক্ত করার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারার পর ১৭৩(ক) ধারা সংযোজন করা হয়েছে। এতে জেলা পর্যায়ে এসপি এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার অভিযোগ পেলে অন্তর্বর্তীকালীন চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারবেন। এতে নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে বহু মামলায় এই নতুন ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে এবং অনেকগুলো মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। এটি মানবাধিকার সুরক্ষায় বড় অগ্রগতি, বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিসের (ওএইচসিএইচআর) প্রধান হুমা খান বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও উন্নতি হওয়া প্রয়োজন। আগের অনেক সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে। এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে এগোতে হবে সরকারকে, মন্তব্য করেন তিনি।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪