বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার বাজারগুলোতে নতুন আগাম জাতের আলুর সরবরাহ বেড়েছে, তবে দাম কম হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি নেই। গত বছরের তুলনায় আলুর দামে বড় ধস নেমেছে, ফলে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও বিক্রয়মূল্য কমে চাষিরা দিশেহারা।
নতুন আগাম আলু পাইকারি বাজারে মানভেদে ৭২০-১২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে (প্রতি কেজি ১৮-৩০ টাকা), আর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ২৫-৪০ টাকা দরে। কৃষকরা বলছেন, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় এ দামে আলু বিক্রি করলে উৎপাদন খরচ তোলা অসম্ভব।
এছাড়া শীতকালীন সবজির দামও কমেছে। বাজারে বেগুন ৪০-৫০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, সিম ৪০ টাকা, টমেটো ৯০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ফুলকপি ২০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, দেশি আদা ১৪০ টাকা, দেশি রসুন ১০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাংস ও মাছের বাজারে: ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৭০ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০-৪৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০-১০০০ টাকা, বড় ইলিশ ২৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ ৬০০ টাকা প্রতি কেজি।
ফতেহ আলী বাজারের সবজি ব্যবসায়ী খোকন প্রামানিক জানান, বাজারে এখনও পুরনো আলুর মজুত থাকায় নতুন আলুর চাহিদা কম। এছাড়া নতুন আলুর সরবরাহও বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। বাজারে সবজির দামও আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় ক্রেতাদের স্বস্তি ফিরেছে।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা