রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: পবিত্র রমজান মাসের আগেই বাজারে ক্রেতাদের জন্য মিশ্র ছবি দেখা যাচ্ছে। যদিও মাছ, মাংস ও বেশিরভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে, তবে চিনির দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাজধানীর কাঁচাবাজারে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেখা যায়, প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চিনি ছিল ৯০ টাকায়। টিসিবি জানিয়েছে, গত এক মাসে চিনি ৫ শতাংশ বেড়েছে।
কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি কামাল হোসেন বলেন, পাইকারি দামের উত্থানেই খুচরা বিক্রেতাদের কাছে দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০-১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে। অনেক ক্রেতা উদ্বেগে আগেভাগে চিনি কিনে রেখেছেন। কেউ কেউ শুধু পরিচিত ক্রেতার কাছে বিক্রি করছেন, বলেন শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ।
এদিকে, শীতকালীন সবজির দাম কমেছে। নতুন আলু ও দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় বাজারে স্বস্তি এসেছে। প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ এখন ৫৫-৬০ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকায়, আর নতুন আলু ১৫-২০ টাকায় মিলছে। শিম, মূলা, বেগুন, ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও সামান্য কমেছে। শালগম ও পেঁপে কেজিপ্রতি ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ডিম ও মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১০৫-১১০ টাকায়, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০-১৭০ টাকায়, আর সোনালি মুরগি ২৪০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরু ও খাসির মাংসের দামও একই অবস্থায় রয়েছে।
মিরপুর-১১-এর স্কুলশিক্ষিকা সোমা আক্তার বলেন, শীতকালীন সবজি এখন কম দামে পাওয়া যায়, স্বাদও ভালো। টমেটো ছাড়া প্রায় সব সবজিরই দাম কমেছে, তাই বাজার করা সহজ। ক্রেতারা আশার চোখে বাজারের এই মিলিত চিত্র দেখছেন। সবজির স্বস্তি আর চিনি নিয়ে কিছুটা চাঞ্চল্যের মধ্যেই রমজানের প্রস্তুতি শুরু।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম