রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর কাঁচাবাজারে শীতের পুরোপুরি ছোঁয়া পড়েছে, আর সঙ্গে এসেছে সবজির দামের স্বস্তি। দীর্ঘ সময় ধরে চড়া থাকার পর শীতকালীন শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউ, কুমড়া, পালং শাকসহ অধিকাংশ সবজির দাম এখন ৪০–৫০ টাকার মধ্যে নেমে এসেছে। সাধারণ ক্রেতারা পরিবারের জন্য একসাথে ভরা বাজার কেনাকাটায় স্বস্তি অনুভব করছেন।
তবে টমেটো এবং বেগুন এখনও স্বাভাবিক নাগালের বাইরে। সরজমিনে দেখা গেছে, টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, আর বেগুন ৮০ টাকায়। বিক্রেতাদের মতে, এই দুই সবজির চাহিদা অত্যন্ত বেশি, কিন্তু সরবরাহ কম থাকায় দাম এখনও উঁচু।
খিলক্ষেতের বাজারে দেখা যায়, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কম রাখা সম্ভব হচ্ছে। বিক্রেতা কামাল জানান, বর্তমানে শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম। প্রতিদিনই পর্যাপ্ত পরিমাণে বাজারে সবজি আসে, ফলে সাধারণ সবজির দাম সহনীয় রাখা যাচ্ছে। তবে টমেটো ও বেগুনের সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কম, তাই দাম বেশি।
ব্যক্তি ক্রেতারা জানিয়েছেন, আগে বাজারে গেলে দামের কথা ভেবে চিন্তায় পড়তে হতো। এখন অধিকাংশ সবজি সস্তা, পরিবারে সবাই মিলে ভরা বাজার করা সম্ভব হচ্ছে। তবে টমেটো-বেগুনের দামটা একটু বেশি।
বাজারের অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের দামও উল্লেখযোগ্য: প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১০৫–১১০ টাকা, ব্রয়লারের মুরগি ১৫৫–১৬৫ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ২৪০–২৫০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৭৫০–৮০০ টাকা কেজি। মাছের মধ্যে পাঙাশ ১৭০–২০০, পাবদা ৪০০–৫৩০, কৈ ২৫০–৩৫০, রুই ৩২০–৪২০, তেলাপিয়া ২০০–২৮০, কাতলা ৩৪০–৪৪০, শিং ৩৪০–৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় শীতের পুরো মৌসুমজুড়ে সবজির বাজার স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন এবং ন্যায্য দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরাও লাভবান হচ্ছেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম