| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি মামলা

শেখ হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনাসহ ১৭ জনের রায় ঘোষণা ২ ফেব্রুয়ারি

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ ইং | ১৫:০৯:২৯:অপরাহ্ন  |  ৯৫৭৭৯৬ বার পঠিত
শেখ হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনাসহ ১৭ জনের রায় ঘোষণা ২ ফেব্রুয়ারি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দুই ভাগ্নি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক রবিউল আলম যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য এই তারিখ ধার্য করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ পাননি। যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন।

এই মামলায় এখন পর্যন্ত তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন করেছে আদালত। এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা আরেকটি প্লট দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুদক শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা এবং তার সন্তানদের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিনটি মামলার বিচার শেষে সাজা ঘোষণা হয়েছে। পাশাপাশি শেখ রেহানা ও টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের একটি মামলাতেও সাজা হয়েছে।

এই মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক ও বর্তমান সদস্য ও কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য হয়েও পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠা করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেন, যা বিধি ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪