| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ক্যারিবীয়ান সাগরে আবারও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ ইং | ০০:২১:৪৫:পূর্বাহ্ন  |  ৭৫৯১৮৪ বার পঠিত
ক্যারিবীয়ান সাগরে আবারও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ক্যারিবীয়ান সাগরে ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট আরেকটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে এই অভিযান চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) মার্কিন কর্মকর্তারা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে এ নিয়ে ষষ্ঠ তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র। এসব জাহাজের বিরুদ্ধে ভেনেজুয়েলার তেল অবৈধভাবে পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা জানান, ক্যারিবীয়ান সাগরেই এই জব্দ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সাউদার্ন কমান্ড ভোররাতে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, মোটর/ট্যাংকার ‘ভেরোনিকা’ কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই আটক করা হয়েছে।

সাউদার্ন কমান্ডের দাবি, জাহাজটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষিত নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ভেনেজুয়েলা-সংযুক্ত জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত ‘কোয়ারেন্টাইন’ অমান্য করে ক্যারিবীয় অঞ্চলে চলাচল করছিল। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ভেনেজুয়েলা থেকে তেল রপ্তানি হলে তা অবশ্যই যথাযথ ও আইনসম্মত সমন্বয়ের মাধ্যমে হতে হবে।

শিপিং নথি ও ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, গায়ানা-নিবন্ধিত আফ্রাম্যাক্স ট্যাংকার ভেরোনিকা জানুয়ারির শুরুতে ভেনেজুয়েলার জলসীমা থেকে খালি অবস্থায় যাত্রা শুরু করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অন্য জাহাজগুলোর মতো এটি আর ফিরে যায়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভেনেজুয়েলা নীতির অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বাড়াতেই এই জব্দ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় এবং দেশটির জরাজীর্ণ তেল শিল্প পুনর্গঠনে ১০০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে ওয়াশিংটন আরও বেশ কিছু ভেনেজুয়েলা-সংযুক্ত ট্যাংকার জব্দের জন্য আদালতের পরোয়ানা চেয়েছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন একাধিক সূত্র। লক্ষ্যবস্তু জাহাজগুলোর অনেকগুলোই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত অথবা তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর অংশ, যেগুলো ইরান, রাশিয়া বা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল পরিবহনের সময় উৎস গোপন করে।

পানামা, কুক আইল্যান্ডস ও গায়ানার সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জব্দ হওয়া বেশিরভাগ জাহাজ ভুয়া পতাকা ব্যবহার করছিল অথবা আগেই তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল।

এর আগে গত সপ্তাহে আটলান্টিক মহাসাগরে দুই সপ্তাহের বেশি ধাওয়া চালিয়ে একটি রুশ পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, জাহাজটি একটি রুশ সাবমেরিনকে ছায়া দিচ্ছিল। এ ঘটনায় মস্কো তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪