| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নকলা নির্বাচন অফিসে বকেয়া বিল চাওয়ায় সহকারী কর্মকর্তাকে মারধর

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২২, ২০২৬ ইং | ২০:০১:২৭:অপরাহ্ন  |  ৮৯৪৪০৬ বার পঠিত
নকলা নির্বাচন অফিসে  বকেয়া বিল চাওয়ায় সহকারী কর্মকর্তাকে মারধর
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাচন অফিসে বকেয়া বিল পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সরকারি অফিস প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় প্রশাসনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তার অধস্তন কর্মকর্তা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম দে-কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী কর্মকর্তা নিজের নিরাপত্তা চেয়ে এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্র ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে নিয়মিত কাজ চলছিল। এ সময় অফিস সহকারী আল-ইমরান পূর্ববর্তী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান সরকারের সময়কার কিছু বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়টি বর্তমান কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সামনে উত্থাপন করেন। বিল পরিশোধে অনীহা প্রকাশ করলে বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম দে কর্মকর্তার কক্ষে যান।

সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পার্থ প্রতীম দে অভিযোগ করেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিষ্পত্তির অনুরোধ জানালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং মা-বাবা তুলে গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে তিনি চেয়ার ছেড়ে উঠে এসে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, অফিস সহকারী আল-ইমরান ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. আশরাফুজ্জামান জুয়েলের সামনেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পার্থ প্রতীম দে’র বাম হাতের কনুই গুরুতরভাবে জখম হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

ঘটনার পর আহত পার্থ প্রতীম দে বিকেল ৬টার দিকে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, এই ঘটনার পর তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অফিসে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, অফিসটাকে আমি পরিবার মনে করি। পারিবারিকভাবে কিছু ধমকাধমকি হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তদন্ত করছেন, তিনিই ব্যবস্থা নেবেন। 

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, যা ঘটেছে তা ন্যক্কারজনক। বিষয়টি তদন্ত করে জেলা পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রিপোটার্স ২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪