সিনিয়র রিপোর্টার: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে র্যাবের জন্য ১৬৩টি যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস (এসি) রয়েছে। উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে এসব গাড়ি কেনা হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘র্যাব ফোর্সেস এর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস কেনা হবে।
কেন সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি বলেন, আমরা সরকারের টাকা সরকারের ঘরে রাখছি। প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের প্রথম গাড়ি প্রতিষ্ঠান এবং এটি সরকারি মালিকানাধিন। এ জন্য আমরা এখান থেকে কিনতে চাই।
নির্বাচনের আগে এই গাড়িগুলো আনা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে নয়, আজকে শুধু অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন প্রক্রিয়া করতে যে সময় আছে তাতে আরও অনেক পরে আসবে। এগুলো পর্যায়ক্রমে আসবে, এখন তো কেবল আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হলো। তারপর আমরা তাদের অর্ডার করব। সেগুলো তারা অর্ডার নিয়ে জাপান থেকে যন্ত্রাংশ আনাবে, এই টাকা দিয়েই আনাবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জরুরি ভিত্তিতে এসব যানবাহন প্রয়োজন। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) গাড়ি কেনা সময়সাপেক্ষ হওয়ায় পিপিএ-২০০৬-এর ৬৮ ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে র্যাবের আভিযানিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে সরকার।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি